রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গুম, খুনের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় যে দেশেই গণভোট হয়েছে, সরকার একটি পক্ষ নিয়েছে: প্রেস সচিব যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো প্রতিশোধের শিকার হবে, প্রতিবেশীদের সতর্ক করলো ইরান জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে নিজের পছন্দের মার্কা জানালেন তাসনিম জারা জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি: আসিফ নজরুল নির্বাচন পর্যবেক্ষণে উচ্চপর্যায়ের দল পাঠাবে ইইউ রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা জকসু নির্বাচনে ৩৩ কেন্দ্রের ফল ঘোষণা, সবশেষ যা জানা গেল চীনের পথে থাকা তেল ঘুরে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, নতুন মোড় বিসিবির মেইলের জবাব দিয়েছে আইসিসি, কি লেখা আছে মেইলে হাদি হত্যা : আসামি ফয়সালের ৫৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ হাদি হত্যা: ফয়সালসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন দেলসি রদ্রিগেজ মনোনয়ন বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রথম দিনে ৪২ আপিল আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ ভারতের বদলে শ্রীলঙ্কায় হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ !

৮০০ পুলিশ সদস্য এখনও যোগদান করেননি

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮.০৯ এএম
  • ২৮১ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য এখনও কাজে যোগদান করেননি। কয়েক দফায় তাদের কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও কোনো হদিস নেই এসব সদস্যের। তারা কোথায় আছেন, সে বিষয়েও কোনো তথ্য নেই পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে।

হদিস নেই পুলিশের বিতর্কিত কর্তাদের- শিরোনামে এক প্রতিবেদনে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য দিয়েছে দৈনিক যুগান্তর, আজ (শনিবার) প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও লেখা হয়েছে- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন পুলিশের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা। আন্দোলনকারীদের হয়রানি, সমন্বয়কদের হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনসহ নির্বিচারে গুলি করে শতশত ছাত্র-জনতা হত্যার নির্দেশদাতা বিতর্কিত এসব কর্মকর্তা এখন লাপাত্তা। তাদের অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। খোদ পুলিশের মধ্যেই আছে নানা আলোচনা। কেউ বলছেন, তারা একটি বিশেষ বাহিনীর হেফাজতে আছেন। কারও দাবি, তারা প্রশাসনের সহায়তায় দেশ ছেড়েছেন।

আবার গণপিটুনি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন-এমন তথ্যও ছড়ানো হয়েছে। পলাতক এসব কর্মকর্তার মধ্যে আছেন সাবেক এসবি প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ঢাকা জেলার সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ। প্রকৃত পক্ষে তারা কোথায় আছেন, কেন আইনের আওতায় আসছেন না, সে বিষয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। এসব কর্মকর্তাসহ পুলিশের শীর্ষ অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাও হয়েছে।

এখন পর্যন্ত তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য শীর্ষ কর্তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পুলিশে একচ্ছত্র প্রভাব ছিল সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল ইসলামের। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এ কর্মকর্তার বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকসুদপুরে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ায় পুলিশে অঘোষিত ডন ছিলেন তিনি। তার কথার বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না তৎকালীন আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অভিযোগ আছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমাতে পুলিশে কট্টর আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তাদের (কথিত পুলিশ লীগ) নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক ও দিকনির্দেশনা দিতেন মনিরুল ইসলাম। ৫ আগস্ট বিকালে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শীর্ষ যে কর্মকর্তাদের হেলিকপ্টারে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়, সেখানে ছিলেন মনিরুল ইসলামও। পরবর্তী সময়ে চাকরিচ্যুত হন তিনি। মনিরুলের বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এখনো তাকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুঞ্জন রয়েছে, তিনি একটি বাহিনীর নজরদারিতেই আছেন। আবার এমনও শোনা যাচ্ছে, তিনি দেশ ছেড়েছেন। তবে ঘটনার মাস পেরোলেও তার প্রকৃত অবস্থান জানা যায়নি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিএমপির সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন-অর-রশীদ। বিসিএস ২০তম ব্যাচের কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের বাসিন্দা হারুন নিজেকে সাবেক রাষ্ট্রপতির নাতি পরিচয় দিতেন। হারুনের ভাতের হোটেল দেশব্যাপী বহুল সমালোচিত। এ কর্মকর্তা আন্দোলন দমাতে সমন্বয়কদের হেফাজতে নেওয়া, বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার-নির্যাতনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।

সূত্র বলছে, ৫ আগস্ট পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়াল টপকে বের হয়ে লাপাত্তা হন তিনি। তার অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা গুঞ্জন রটেছে। তিনি হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি বাহিনীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন-এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। আবার তিনি সীমান্ত পারি দিয়ে দেশ ছেড়েছে-এমন তথ্যও ফেসবুকে ছড়িয়েছে। তার বিরুদ্ধে অন্তত ৫০টি হত্যা মামলা হয়েছে। কিন্তু তাকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ

September 2026
T F S S M T W
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্তসময়সূচি
ফজর০৪:২১ ভোর
যোহর১২:৫৯ দুপুর
আছর০৪:৩০ বিকেল
মাগরিব০৬.২১ সন্ধ্যা
এশা০৭:৩৬ রাত

Theme Download From CreativeNews