নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর ডেমরায় কলেজ সংলগ্ন আল আমিনের রিক্সার গ্রেজে সোহেল নামের এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা হামিদুল্লাহ সুমনের বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে ৮অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যায়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে এ বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সমঝোতা হয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মারধরের ধারণকৃত ভিডিওতে দেখা যায় হামিদুল্লাহ সুমন লোহার পাইপ দিয়ে সোহেল নামের ওই যুবককে অমানুষিকভাবে পেটাচ্ছেন।
স্থানীয় লোকজন সোহেলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। উক্ত মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী সোহেল ডেমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ডেমরা থানা পুলিশ যুবদল নেতা হামিদুল্লাহ সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আপোষ মীমাংসায় হামিদুল্লাহ সুমনকে থানা থেকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হামিদুল্লাহ সুমন একজন দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক। তিনি কিছুদিন আগে হামিদুল্লাহ সুমন মিরপাড়ায় অবস্থিত হোটেলের মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করেন। হোটেল হোসেনের মালিক চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে যুবদল নেতা হামিদুল্লাহ সুমন দলবল নিয়ে উক্ত হোটেল ভাঙচুর এবং লুটপাট করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হামিদুল্লাহ সুমন কর্তৃক হোটেলের মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করার একটি কল রেকর্ড সাংবাদিকদের কাছে স্থানীয়রা প্রদান করেন।
সরজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যুবদল নেতা হামিদুল্লাহ সুমনের চাঁদাবাজিতে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। কোথাও কোন ঘটনা ঘটলে বিচারের নামে সে চাঁদা দাবি করেন। এলাকাবাসী তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ডেমরা থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সোহেল নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের আপোষের ভিত্তিতে মুচলেকার মাধ্যমে তাকে থানা থেকে অভিযোগ কারীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
Leave a Reply