শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় সাংবাদিক এইচ আর শফিকের জামিন মানিকগঞ্জে নৌ-পথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে বাল্কহেড মালিক-শ্রমিকদের বিক্ষোভ নভেম্বরেই কি মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা? হকার থেকে ব্যবসায়ী, অতঃপর বেপরোয়া: পল্টনে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে বিতর্কে আজাদ প্রোডাক্টসের মালিক সিজেএফডি’র অর্থ সম্পাদক পদে নিজাম উদ্দিন দরবেশের নিরঙ্কুশ জয় প্রেমের টানে ট্র্যাজেডি: ১৮ বছর পর বাবা-মা-মেয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রামনা ইউপি নির্বাচন: সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক জাহাঙ্গীর হোসেনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা, কার্যকর আজ সন্ধ্যা থেকেই ডে-কেয়ারে শিশুকে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকিয়ে নির্যাতন রামনা ইউপি নির্বাচনে ভোটারদের মুখে মুখে এক নাম: ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ জাহাঙ্গীর হোসেন বামনা আসমাতুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সদস্য সাংবাদিক শহিদুল মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে ‘নো হেট স্পিচ ডে’ পালিত বামনায় জামায়াত কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’: ডৌয়াতলা ইউনিয়ন বিএনপি ঈদুল আজহা উপলক্ষে বামনায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও গোস্ত বিতরণ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তাজমিনা আক্তার তাঁর বদলি ঠেকাতে নির্বাহী প্রকৌশীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন সিলেটে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যয় সংকোচনের নতুন পদক্ষেপ: বহু সুবিধা হ্রাস করা হয়েছে স্বাধীনতা মানে শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা নয়:চিফ হুইপ

মোট খেলাপি ঋণের ৭১ শতাংশ ১০ ব্যাংকে

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২.৪৪ পিএম
  • ২৮২ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশে ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণের ৭১ শতাংশ ১০ ব্যাংকের। ২০২৪ সালের জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বকেয়া ঋণের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

তথ্যে দেখা যায়, দেশের ৬১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ৭০ দশমিক ৫৮ শতাংশই রয়েছে মাত্র ১০টি ব্যাংকে। সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ব্যাংকগুলোর শীর্ষ ঋণগ্রহীতারা খেলাপি হলেই ২৯টি ব্যাংক তাদের ন্যূনতম মূলধন সক্ষমতা বা ক্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ্যাসেটস রেশিও (সিআরএআর) বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জুন প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, শীর্ষ পাঁচ ও ১০ ব্যাংকের মধ্যে খেলাপি ঋণের ঘনত্ব আগের (মার্চ) প্রান্তিকের তুলনায় যথাক্রমে ২.৮৯ ও ২ দশিমিক ৭৯ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের জুন শেষে, খেলাপি ঋণের ৫৪ শতাংশই ছিল শীর্ষ পাঁচ ব্যাংকে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এখনকার প্রতিবেদনে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেখা যাচ্ছে, সেটি আসলে এই খাতের ন্যূনতম পরিমাণ (মিনিমাম ফিগার)। প্রকৃত পরিস্থিতি সম্ভবত আরো খারাপ। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের জুন মাসের স্ট্যাবিলিটি রিপোর্টে ব্যাংক খাতের আসল চিত্র উঠে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আগামী এপ্রিল মাস থেকে খেলাপি ঋণ (ক্লাসিফাইড লোন) নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। তখন নতুন আরো খেলাপি ঋণ তৈরি হবে, যেগুলো এখন নিয়মিত দেখাচ্ছে। একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতির চিত্রও পরিষ্কার হবে।

ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপ যথেষ্ট কি না জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, ব্যাংকগুলোকে এখন ফার্স্ট এইড দেওয়া হচ্ছে, যাতে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে না যায়। মূল চিকিৎসা এখনো শুরুই হয়নি। এর জন্য আরো কিছুটা সময় প্রয়োজন। ব্যাংকগুলোর সামগ্রিক চিত্র হাতে পাওয়ার পর মূল চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুন প্রান্তিকে মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে খারাপ ও মন্দ (ব্যাড অ্যান্ড লস) ঋণের হিস্যা কিছুটা কমলেও এখনো এই শ্রেণির ঋণ সবচেয়ে বেশি।

মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে খালাপ ও মন্দ ঋণ ৭৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, সাব-স্ট্যান্ডার্ড’ (নিম্নমান) ঋণ অংশ ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ‘ডাউটফুল’ (সন্দেহজনক) ঋণে ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। খারাপ ও মন্দ শ্রেণির ঋণ সবচেয়ে বাজে ধরনের খেলাপি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৪ সালের জুন শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বকেয়া ঋণের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৫ লাখ কোটি টাকা, যা দেশের মোট বকেয়া ঋণের প্রায় ১৭ শতাংশ। ঐ সময়ে মোট বকেয়া ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৬ দশকি ৮৩ লাখ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীর্ষ তিন ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে দেশের ২৯টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়বে এবং ন্যূনতম সিআরএআর বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুন শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ১১টি ইতিমধ্যেই ১০ শতাংশ ন্যূনতম সিআরএআর বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা পূরণে হয়েছে। বাকি ব্যাংকগুলোর শীর্ষ তিন ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে আরো ১৮টি ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়বে।

অন্যদিকে, খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতির অবস্থাও আরো খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ১০টি ব্যাংকের সম্মিলিত সঞ্চিতি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা।

এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ন্যাশনাল ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংক। খেলাপি ঋণ বেশি হলে প্রভিশন ঘাটতি হয়। প্রভিশন ঘাটতি বাড়লে ব্যাংকের নিট মুনাফা কমে যায়, যার ফলে কমে যায় শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশেও।

সংবাদটি শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ

December 2026
T F S S M T W
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  

নামাজের সময়সূচি

ওয়াক্তসময়সূচি
ফজর০৪:২১ ভোর
যোহর১২:৫৯ দুপুর
আছর০৪:৩০ বিকেল
মাগরিব০৬.২১ সন্ধ্যা
এশা০৭:৩৬ রাত

Theme Download From CreativeNews