শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কাকরাইলে সংঘর্ষ ও বল প্রয়োগ নিয়ে আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তি নুরের ওপর হামলা, রাতেই বিক্ষোভের ডাক এনসিপির জাপা কার্যালয়ের সামনে পুলিশের লাঠিচার্জ, মারাত্মক আহত নুর ‘শুধু আমাদেরই ডিভোর্স হয়’ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দিলে অনেক ঝামেলা এড়ানো যেত: মির্জা ফখরুল জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুমোদন ইসির পাথরঘাটায় বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে বীজচাষ প্রকল্পের টাকা আত্মসাত: ফেঁসে গেলেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দুই কর্মকর্তা সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের খোলা চিঠি মেঘনায় সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের মরদেহ উদ্ধার শূন্য থেকে কোটিপতি: ওয়াসার হারুনের এতো সম্পদ! পাকিস্তানে আতশবাজির গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আহত ৩৪ যতোই চ্যালেঞ্জিং হোক, সুস্থ সবল প্রজন্ম গড়ে তুলতেই হবে আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মিরপুরে উঠছে বহুতল ভবনটি মাতুয়াইলে ১২ ফুট রাস্তার পাশে ১১ তলার আবাসন অনুমোদন! প্রধান ‍উপদেষ্টা যে মাসে বলেছেন, সেই মাসেই নির্বাচন হবে’ এবার বিমানের কুয়েত ও দুবাই ফ্লাইট বাতিল জাতীয় নির্বাচনে ১২ কোটির বেশি ভোটার হতে পারে প্রেমের কথা স্বীকার করলেন জয়া আহসান

পাকিস্তানে প্রতিবছর ১ লাখ ৬৪ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে তামাকে

  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ৭.১৫ পিএম
  • ৬৭ বার সংবাদটি পড়া হয়েছে
তামাকজাত পণ্য,ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক,সময় সংবাদ: তামাকজাত দ্রব্যের কারণে পাকিস্তানে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। সেইসঙ্গে দেশটির আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে ২.৫ বিলিয়ন ডলার। বিশাল এই ক্ষতি থেকে বাঁচতে দ্রুত তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বাড়ানো জরুরি বলে অভিমত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)।

বুধবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, তামাকজনিত রোগ এবং এর কারণে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের কারণে প্রতি বছর প্রায় ৭০০ বিলিয়ন রুপি বা ২.৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে পাকিস্তান। তামাকজাত পণ্য যেই উৎপাদন করুক না কেন, সবার স্বাস্থ্যের জন্যই এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর; বিশেষ করে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য এটি বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস সামনে রেখে তামাকজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তারা বলেছে, তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে কর বাড়ানো। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, যেটা স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা যাবে। একইসঙ্গে অনেক মানুষের জীবনও রক্ষা করা যাবে। যদি এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে তামাক পাকিস্তানের জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে থাকবে। এর ফলে ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন করাও কঠিন হয়ে পড়বে দেশটির জন্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গবেষণায় দেখা গেছে যে তামাকজাত দ্রব্যে কর বাড়ালে একদিকে যেমন সরকারের আয় বাড়ে, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে তামাকের ব্যবহার কমে। ফলে, একদিকে তামাকজনিত রোগও কমে আসে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যখাতের ওপর চাপও হ্রাস পায়।

২০২৩ সালে পাকিস্তানে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বাড়ানোর পর তামাক ব্যবহারের হার ১৯.২ শতাংশ কমে গেছে দেশটিতে। ২৬.৩ শতাংশ ধূমপায়ী তাদের সিগারেট খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। একই সময়ে সিগারেট থেকে ফেডারেল এক্সাইজ ডিউটির আয় বেড়েছে ৬৬ শতাংশ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ

May 2025
T F S S M T W
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30