নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন অর রশিদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম ক্লাব থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন জানান, গত রবিবার (৩ আগস্ট) রাতে তিনি ক্লাবের একটি রুমে ওঠেন। সেখানে রাতে তিনি একাই ছিলেন। আজ সকালে তার সাড়া না পেয়ে দুপুর ১২টার পর পুলিশের উপস্থিতিতে রুমের দরজা ভাঙা হয়। সেখানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রামের চিকিৎসকদের একটি দল চট্টগ্রাম ক্লাবে আসেন। তারা সাবেক সেনাপ্রধানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে তারা জানিয়েছেন।
এম হারুন-অর-রশীদ ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তিনি বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৬ জুন অবসরে যান।
অবসরের পর হারুন অর রশিদ ডেসটিনি গ্রুপের সভাপতি হন। গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের মামলায় সাবেক সেনাপ্রধানকে কারাগারে যেতে হয়।
তিনি জানান, ছয়টি সংস্কার কমিশনের ১৯টি মৌলিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ১৯টির মধ্যে সাতটিতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বিএনপি। আর ১২টিতে একমত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা থেকে অনেককে অনেক কথা বলতে পারে। এগুলো নিয়ে আলোচনা হলে অংশ নেবে বিএনপি। কিন্তু এগুলো নির্বাচন পেছানোর কৌশল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। শুধু সংবিধান সংশোধনের বিষয় বাদে বাকিসব বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। কোনো আইনি বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়া সংসদ ছাড়া কোনো বৈধ প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করা যায়, সেটি তারা বলতে পারে। এটা বাঞ্ছনীয় নয়।’
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে এখনও বিএনপি দাওয়াত পায়নি বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ঘোষণাপত্রের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক মূল্য আছে। আমাদের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে এর জবাবও দিয়েছি। কিন্তু জুলাইয়ের ৭ তারিখ পর্যন্ত আর কোনো আলোচনা হয়নি। ৭ জুলাই যে ড্রাফট দিয়েছে আমাদের সেখানে তারা ২৬ মার্চকে উপস্থাপন করতে চাননি। এর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, রাষ্ট্রীয় এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেব চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে। জুলাই ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে তা মেনে না নেওয়া হলে, ঘোষণাপত্র পাঠের পর পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাবে বিএনপি।’
Leave a Reply