নাজমুল হাসান : বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজকে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি কারাবরণ করেছেন এবং সরকারি চাকরি থেকেও বরখাস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ একাধিকবার জেল খেটেছেন, সরকারি চাকরি থেকেও বরখাস্ত হয়েছেন,গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিএনপি নেতা কর্মীদের নিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন।সেই সময়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ বর্তমানে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির নিরাপত্তা ডিভিশনের দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিগত সরকার আমলে তাকে তিতাস গ্যাসের চাকরি হতে অবসান করা হয় ।রাজনৈতিক কারণে মিরপুর মডেল থানায় ১২/১২/২০১৭ সালের মামলা নং-২৭ এর কারণে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে চাকুরী থেকে টারমিনেশন বা অবসান করা হয়েছিল ।বিগত ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি এই বিষয়ে তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে আবেদন করেন। পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে তিতাস গ্যাসের পরিচালক মন্ডলীর ৮৫৯ তম সভায় সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।সেই সময়ে তিতাস গ্যাসের এমডি শাহ নেওয়াজ পারভেজ,তিতাস গ্যাসের ( জিএম মানব সম্পদ উন্নয়ন) লুৎফুল হায়দার মাসুম,জিএম প্রশাসন ডিভিশন হাসান আহম্মদ এবং বিএনপি পন্থী সিবিএ নেতারা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেছেন।
জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক ১ নং যুগ্ম আহবায়ক, ইনস্টিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিকস এর সাবেক ভিপি, একসময়ের তুখোর ছাত্র নেতা গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশ্বস্ত একজন কর্মী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। গাজী জহিরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় । বর্তমানে বসবাস করেন মিরপুরের শাহআলীবাগ থানা এলাকায়। জুলাই যোদ্ধা জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজের জন্য সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেছেন তার নেতা কর্মী ও অনুসারীরা।সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিক আদর্শের কারণে কারাবরণ, চাকরি হারানো এবং আন্দোলনে হামলার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেও গাজী জহিরুল ইসলাম সবুজ বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে যাননি। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দীর্ঘদিনের ত্যাগ-সংগ্রাম নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলোচনা রয়েছে।
Leave a Reply